Home ক্বওল শরীফ যিনি যতবেশি তাক্বওয়া অবলম্বন করবেন তথা মহাসম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ও পবিত্র...

যিনি যতবেশি তাক্বওয়া অবলম্বন করবেন তথা মহাসম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ও পবিত্র সুন্নত মুবারক উনার পাবন্দ হবেন, তিনি ততবেশি মর্যাদা বা সম্মানের অধিকারী হবেন। সুবহানাল্লাহ!

2
0
তাক্বওয়া অবলম্বন Piety تقوى
তাক্বওয়া অবলম্বন Piety تقوى

তাক্বওয়া অবলম্বন Piety تقوى

মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট ওই ব্যক্তি অধিক সম্মানিত, যিনি বেশি তাক্বওয়াধারী।’ সুবহানাল্লাহ!
যিনি যতবেশি তাক্বওয়া অবলম্বন করবেন তথা মহাসম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ও পবিত্র সুন্নত মুবারক উনার পাবন্দ হবেন, তিনি ততবেশি মর্যাদা বা সম্মানের অধিকারী হবেন। সুবহানাল্লাহ!
কাজেই জিন-ইনসানরা যদি মহান আল্লাহ পাক উনার অসন্তুষ্টি থেকে পরিত্রাণ পেতে চায় এবং কাফির-মুশরিকদের যুলুম-নির্যাতন থেকে বাঁচতে চায়, তাহলে তাদের জন্য ফরয হলো- সর্বাবস্থায় কাফির তথা ইহুদী-মুশরিক, হিন্দু-বৌদ্ধ, মজুসী-নাছারা, বেদ্বীন-বদদ্বীন, ফাসিক-ফুজ্জারদের অনুসরণ ও অনুকরণ থেকে পরিপূর্ণরূপে বিরত থেকে সম্পূর্ণরূপে মহাপবিত্র কুরআন শরীফ ও মহাপবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের উপর ইস্তিক্বামত হওয়া।

– ক্বওল শরীফ: সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম

 ৩ মাহে শাবান শরীফ, ১৪৪০

যামানার লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ, যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, ইমামুল আইম্মাহ, মুহ্ইউস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, ক্বইয়ূমুয যামান, জাব্বারিউল আউওয়াল, ক্বউইয়্যূল আউওয়াল, সুলত্বানুন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, জামিউল আলক্বাব, আওলাদে রসূল, মাওলানা সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, ‘পবিত্র সূরা মুনাফিকুন শরীফ’ উনার ৮নং পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “সমস্ত ইজ্জত-সম্মান মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য এবং উনার যিনি রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার জন্য এবং যাঁরা মু’মিন-মুসলমান উনাদের জন্য।” সুবহানাল্লাহ!
মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, ‘মিরকাত শরীফ’ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে- নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “মু’মিন বা মুসলমান ব্যতীত সমস্ত মানুষের জন্য হালাকী বা ধ্বংস রয়েছে।”
মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, জিন-ইনসান তথা বান্দা-বান্দী, উম্মতরা যদি হালাকী থেকে বাঁচতে চায়, তাহলে তাদের দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- ঈমানদার হওয়ার পাশাপাশি মুত্তাক্বী হয়ে যাওয়া। কেননা পবিত্র ঈমান গ্রহণ না করা পর্যন্ত অর্থাৎ মু’মিন-মুসলমান হওয়া ব্যতীত এবং নেককার হওয়া ব্যতীত কেউই জাহান্নামের শাস্তি থেকে রেহাই পাবে না। যেমন- এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক তিনি ‘পবিত্র সূরা আছর শরীফ’ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “সময়ের কসম! নিশ্চয়ই সমস্ত মানুষ ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত। কেবল তারা ব্যতীত, যারা পবিত্র ঈমান এনেছেন অতঃপর আমলে ছলেহ করেছেন।”
মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মুসলমানরা যতদিন মহাপবিত্র কুরআন শরীফ ও মহাপবিত্র সুন্নাহ শরীফ আঁকড়ে ধরে ছিলেন, ততদিন পর্যন্ত উনারা কামিয়াবী লাভ করেছেন। আর যখনই পবিত্র কুরআন শরীফ ও মহাপবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের অনুসরণ ছেড়ে বেদ্বীন, বিজাতীয় কাফির, মুশরিকদের অনুসরণ শুরু করেছে, তাদের নিয়ম-নীতি, তর্জ-তরীক্বা পালনে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছে, তাদের সাথে বন্ধুত্ব ও আঁতাত করেছে তখনই তারা লাঞ্ছিত, অপমানিত, নির্যাতিত হয়েছে। নাউযুবিল্লাহ!
মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, সারাবিশ্বে কাফির-মুশরিক কর্তৃক মুসলমানদের নির্যাতিত হওয়ার পিছনে মূল কারণ যদি তালাশ করা হয়, তাহলে দেখা যাবে যে- মুসলমানদের আক্বীদা, আমল, আখলাক আর কাফির-মুশরিকদের আক্বীদা, আমল, আখলাক এক হয়ে গেছে। নাউযুবিল্লাহ!
মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, তাই মুসলমান যদি নিজেদের ঐতিহ্য, গৌরব, সম্মান ফিরে পেতে চায়, কামিয়াবী ও সন্তুষ্টি লাভ করতে চায়, তাহলে তাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য হবে-  সর্বাবস্থায় কাফির তথা ইহুদী-মুশরিক, হিন্দু-বৌদ্ধ, মজুসী-নাছারা, বেদ্বীন-বদদ্বীন, ফাসিক-ফুজ্জার ও মুনাফিকদের অনুসরণ ও অনুকরণ থেকে পরিপূর্ণরূপে বিরত থেকে সম্পূর্ণরূপে মহাপবিত্র কুরআন শরীফ ও মহাপবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের উপর ইস্তিক্বামত হওয়া। এ সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “যদি তোমরা ধৈর্যধারণ করো এবং মুত্তাক্বী হও, তাহলে কাফিরদের ষড়যন্ত্র তোমাদের কোন ক্ষতি করতে পারবেনা।”সুবহানাল্লাহ!
Source: Al Ihsan

তাক্বওয়া অবলম্বন Piety تقوى